Nirbhiknewsদুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কুতুপালং ক্যাম্পকে ২০টি ব্লকে ভাগ করা হবে। প্রতিটি ব্লকে থাকবে একটি প্রশাসনিক ও পরিসেবা ইউনিট এবং একটি গোডাউন। এর ফলে সব ধরনের সেবা প্রদান সহজতর হবে।

আজ বুধবার কক্সবাজার সার্কিট হাউসে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়বিষয়ক এক সভায় মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সার্বিক কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করেন মায়া। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আসিকুল্লাহ রফিক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, কক্সবাজার আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, ২৫ আগস্টে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা চার লাখ ২০ হাজার ধরে প্রথমে ৮৪ হাজার শেড নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে ৭০ হাজারের বেশি শেড নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মোট দেড় লাখ শেড নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে সহায়তা দেবে দেশি-বিদেশি বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও)।

সভায় আরো জানানো হয়, কুতুপালং ক্যাম্পে ফায়ার সার্ভিসের নতুন ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। অতিদ্রুত এটি নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া কুতুপালং ক্যাম্পের বাইরে যেসব ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা থাকছেন, ক্রমান্বয়ে তা গুটিয়ে একই ক্যাম্পে সবাইকে রাখা হবে।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কেন্দ্রের কমিশনার আবুল কালাম জানান, এরই মধ্যে ক্যাম্পের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে যেসব রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে।