honey-for-skinউজ্জ্বল ত্বক আর ঝলমলে চুলের জন্য দারুণ উপকারি ও সহজলভ্য সমাধান হল মধু। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সৌন্দর্যচর্চায় মধুর উপকারিতা সম্পর্কে কথা বলেন ফিলিপ বি. বোটানিকাল প্রোডাক্টস ইন্টারন্যাশনালের ফিলিপ বার্কোভিটজ।

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে মধু:

বার্কোভিটজ বলেন, “মধু বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে ত্বক নমনীয় রাখতে সাহায্য করে।”

তিনি আরও বলেন, “মধুর মধ্যে যে শর্করা রয়েছে তার আলফা-হাইড্রোক্সিড উপাদান ত্বক এক্সফলিয়েট করে মৃত কোষ দূর করে ত্বকের রং স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার করে নরম, কোমল ও মসৃণ করে তুলতে সাহায্য করে মধু।”

মধু ত্বকের রং স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ত্বকের নমনীয়তা বজায় রেখে ত্বক টানটান রেখে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

রোদে পোড়াভাব ও জ্বালাপোড়া কমায় মধু:

গ্রীষ্মের তীব্র রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায় সবারই ঘটে। কখনও কখনও রোদেপোড়ার কারণে ত্বকে হালকা জ্বালাপোড়াও হতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মধু দারুণ উপকারী।

বার্কোভিটজ বলেন, “রোদেপোড়া ত্বকের সমস্যা দূর করতে কাজ করে মধুর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। তাছাড়া হালকা পুড়ে যাওয়া ক্ষতের জ্বালাপোড়া কমাতে কার্যকর মধু। ডাক্তারদের মতে ত্বকে ক্ষতের দাগ দূর করতেও কার্যকর মধু। এটা ত্বকে জ্বলীয় উপাদানের পরিমাণ বজায় রেখে ত্বক সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।”

চুল কন্ডিশন করতে মধু:

“মধুতে আছে আমাইনো এসিড যা চুল নরম করতে সাহায্য করে। তবে এক্ষেত্রে পানি বা অ্যালোভেরার জেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে হবে।” বললেন ফিলিপ ওয়ার্নস।

ব্রণ দূর করতে মধু:

ত্বক ব্রণমুক্ত রাখতে সহায়তা করে মধু। এক্ষেত্রে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পুরো মুখে মধু মাখিয়ে নিতে হবে। ফিলিপ বলেন, “১৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বক মধু শুষে নেবে আর ব্রণের ফোলা ও লালচেভাব কমিয়ে ফেলবে।”

চোখের নিচের কালি দূর করে মধু:

ফিলিপ বলেন, “মধু ত্বকে আর্দ্রতা টেনে নিয়ে ত্বক কোমল করে। ফলে চোখের নিচের কালি ও বলিরেখা কমে আসে।”

ত্বক পরিষ্কার করে মধু লাগাতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বক দেখতে স্নিগ্ধ লাগবে এবং ত্বকের তারুণ্য বজায় থাকবে।