http://nirbhiknews.com/wp-content/uploads/2018/05/peyaz-in-faridpur.jpgফরিদপুরে এবছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। আর বাজারে দামও মিলছে ভালো। ফলে এবার অন্য বছরগুলোর চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। পেঁয়াজের বাজার দর ঠিক রাখতে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চাষের শুরু থেকেই কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়ায় উৎপাদন বেড়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

পদ্মার চরাঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা পেঁয়াজ চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। আর দেশে মোট চাহিদার ৮০ ভাগ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় বৃহত্তর ফরিদপুরে। সবচেয়ে বেশী পেঁয়াজ চাষ হয় নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায়। এসব এলাকায় মুড়িকাটা, দানা পেঁয়াজ এবং হালি পেঁয়াজের আবাদ বেশি করেন চাষীরা।

আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার পেঁয়াজ চাষে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে চলতি মওসুমে পেঁয়াজের দাম ভালো বলে জানালেন চাষীরা। প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১১শ টাকায়।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজার থেকে কয়েক হাত ঘুরে ক্রেতাদের হাতে পৌঁছার কারণে বেড়ে যায় দাম। বাজার ঠিক রাখতে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানী বন্ধেরও দাবী জানান তারা।

মৌসুমের শুরু থেকেই কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়ায় পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে বলে জানালেন ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী।

ফরিদপুরে এবছর পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে ৩৬ হাজার ১ শত ৭০ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪০ টন।