steve-rhodes-Bangladesh-coachচন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাবার পর দীর্ঘদিন প্রধান কোচ ছাড়াই নিজেদের কার্যক্রম চালাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। বছরের শুরুতে দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনকে। অন্যদিকে লঙ্কানদের মাটিতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় কোর্টনি ওয়ালশকে। টাইগারদের এই বোলিং কোচ দলের হাল ধরলেও বোলিং ডিপার্টমেন্টের হাল তো সবারই জানা!

চলতি বছরে কয়েক দফা কোচ নিয়োগের জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তালিকায় দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা গ্যারি কারস্টেন ছিলেন উপরের দিকে। কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকায় লম্বা সময় কাজ করতে আগ্রহ দেখাননি ক্রিকেট কিংবদন্তি। তবে বিসিবির হেড অব কোচ অ্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট সিলেকশন পদে নিয়োগ পেয়েছে সাবেক এই তারকা ব্যাটসম্যান।

বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়া আসন্ন বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটের নানা উন্নয়নের জন্য তার বিশেষজ্ঞ মতামত দিবেন।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার ঢাকায় আসছেন স্টিভ রোডস। ইংল্যান্ড দলের সাবেক এই উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান বর্তমানে উস্টারশায়ারের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট পদে কাজ করছেন।

১৯৮৯ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর দলের হয়ে ৯টি ম্যাচ খেলেন। পাঁচ বছর পর টেস্ট অভিষেক ক্যারিয়ারে ১১টি ম্যাচে নামেন রোডস। মূলত প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দূতি ছড়িয়েছেন এই উইকেট রক্ষক। ৪৪০ ম্যাচে প্রায় ১৫ হাজার রান করেছেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪৭৭ ম্যাচে ৪ হাজার ৩৬৩ রান রয়েছেন রোডর্সের।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে একমাত্র সাকিবেরই আগে এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সঙ্গে কাজ করেছেন। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০১০ সালে কাউন্টি দল উস্টারশায়ারের হয়ে খেলেন বাংলাদেশ বর্তমান টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক।

সেসময় রোডস ছিলেন দলটির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট। সাবেক এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অবশ্য উস্টারশায়ারের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২০১৬ সালে রোর্ডসকে জাতীয় দলের স্টাফ হিসেবেও নিয়োগ দেন।

বিসিবির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পরেই বোঝা যাবে ৫৩ বছর বয়সী এই কোচের সঙ্গে মাশরাফি-সাকিবদের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।