kcc_election_dhaka_bangladeshজালভোট দেয়ার অভিযোগে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতেমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধ করে দেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার রিতেশ বিশ্বাস।

সকাল ৮ থেকে ২৮৯টি কেন্দ্রে এক যোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নিজ নিজ কেন্দ্রে শুরুতেই ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা) ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ)।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুস আলী জানান, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। ভোটকক্ষ ১ হাজার ১৭৮টি। ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন ৪ হাজার ৯৭২ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে প্রিজাইডিং অফিসার রয়েছেন ২৮৯ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ১ হাজার ৫৬১ জন এবং পোলিং এজেন্ট রয়েছেন ৩ হাজার ১২২ জন।

এদিকে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ফলাফল যাই হোক প্রধান দুই প্রার্থী মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, বিএনপি গত ২৩ বছরে যা করতে পারেনি, ৫ বছরে আমি খুলনার সেই উন্নয়ন করেছি। গতবার ফেল করেছি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। আমি নির্বাচিত হলে আবারও খুলনার উন্নয়ন হবে। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফলাফল যাই হোক তা আমি মেনে নেবো।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হলে খুলনার জনগণ তাকে বিজয়ী করে আনবে বলে বিশ্বাস করেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে ফল যাই হোক মেনে নেবো।

এ নির্বাচনে ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ভোট কক্ষ রয়েছে ১ হাজার ৫৬১টি। আর অস্থায়ী ভোট কক্ষ রয়েছে ৫৫টি।