http://nirbhiknews.com/wp-content/uploads/2018/06/BERC.jpgএক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আমদানি করা তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি। ফলে এলএনজির সাথে দামের সমন্বয় করতে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের শুরু হয়েছে গণশুনানি। প্রথম দিনে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি জিটিসিএল-সঞ্চালন চার্জ প্রতি ঘণ মিটারে ৪৫ পয়সা দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। কিন্তু বিইআরসির কারিগরি কমিটি ১০ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।

এপ্রিলে তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি আমদানি পর থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কাজ শুরু করে পেট্রোবংলা। বর্তমানে দেশিয় গ্যাস প্রতি ঘণ মিটার ৭ টাকা ৩০ পয়সা হারে বিক্রি করছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে বিক্রয় মূল্য দাঁড়াবে ১২ টাকা ৯৫ পয়সা। ফলে দাম বৃদ্ধির জন্য এই গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি।

গণশুনানির প্রথম দিনে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি-জিটিসিএল সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব বিইআরসিতে তুলে ধরেন। ৪৫ পয়সা প্রতি ঘণ মিটার গ্যাসের সঞ্চালন চার্জ বাড়াতে কমিশনের আবেদন করেন।

তবে কমিশনের কারিগরি কমিটির সুপারিশে ১০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

যদিও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বৃদ্ধির জন্য গ্রাহকদের উপর দাম চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক। তাই গ্যাসর দাম না বাড়াতে কমিশনের প্রতি আহবান জানান তারা।

১২ জুন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর বিষয়ে গণশুনানি করবে বিইআরসি। ১৯ জুন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, ২০ জুন পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি এবং সবশেষ ২১ জুন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের উপর গণশুনানি করবে বিইআরসি।