kcc_election-khulna-south bangla-nesকেসিসি বা খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক।

২৮৬টি কেন্দ্র থেকে পাওয়া ফলাফলে দেখা যায়, নৌকা প্রতীকের তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকের নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন এক লাখ আট হাজার ৯৫৬ ভোট।বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ৬৭ হাজার ৯৭৬ ভোটে পরাজিত করেছেন আ.লীগের আবদুল খালেক।

মোট ২৮৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।  নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, তিনটি কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এই তিনটি কেন্দ্র ছাড়া আর কোথাও অনিয়ম হয়নি। কেন্দ্র তিনটি হচ্ছে, ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, লবণছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাজি মালেক দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসা।

ইসি সচিব বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোট ডাকাতির যে চিত্র খুলনাবাসী দেখেছে, আমি নিজেও দেখেছি এবং আপনারাও দেখেছেন। সেই নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য। একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশাকে স্বপ্নকে চুরমার করে দিয়ে, বর্তমান সরকার এবং নির্বাচন কমিশন একটি কালো অধ্যায়ের সূচনা করল। সেটি হচ্ছে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০১৮ একটি কালিমালিপ্ত নির্বাচন।’

অন্যদিকে, আজ সারা দিনের মতো এখনো নির্বাচনের রায় মেনে নেবেন বলে জানালেন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। বিএনপিকেও রায় মেনে নিতে বলেন তিনি।

খুলনা সিটিতে মোট ভোটার চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।