nirbhiknewsযুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল হ্যাকড হওয়ার ঘটনা তদন্তে ভূমিকার কারণে কোমিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এফবিআইয়ের পরিচালকের পদ থেকে জেমস কোমিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটরা কোমিকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে যড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের প্রচারণায় রাশিয়ার যোগসাজশের অভিযোগ তদন্ত করছিল এফবিআই। এ কারণেই কোমিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

কিন্তু গত সপ্তাহে কংগ্রেসে হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইলের বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন কোমি—এমন অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাঁকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বরখাস্তের বিষয়ে কোমিকে দেওয়া চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসের সুপারিশের সঙ্গে একমত হয়েছেন। সেই সুপারিশ হলো, ‘আপনি (কোমি) আর পরিচালক হিসেবে এফবিআইকে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য নন।’

কোমি যখন বরখাস্তের বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে সহকর্মীদের এক সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এফবিআইয়ের পরিচালকের পদের মেয়াদ থাকে ১০ বছর। ৫৬ বছর বয়সী কোমি চার বছর দায়িত্ব পালনের পর বরখাস্ত হলেন। পরবর্তী দায়িত্ব কে পাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি হোয়াইট হাউস।

সূত্র: বিবিসি অনলাইন।