dmp-media-centerরাজধানীতে ইয়াবা পাচারে রোহিঙ্গা শিশুদের ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ জন্য শিশুদেরকে জীবনের ঝুঁকিতেও ফেলা হতো স্কচটেপ দিয়ে ইয়াবার বড় আকারের ক্যাপসুল বানিয়ে, তা শিশুদের গিলে খাওয়ানো হতো এরপর ঢাকায় আসার পর তা পেট থেকে বের কর হতো

ধরা পড়া দুটি শিশুর একটি শিশু একেকটি চালানে ৩৫০০ এবং আরেকটি শিশু ১৫০০ করে ইয়াবা বড়ি ঢাকায় নিয়ে এসেছে। আর ইয়াবার ক্যাপসুল গেলা থেকে শুরু করে রাজধানীতে আানর পর তা বের করে আনার পুরো প্রক্রিয়াটিই যন্ত্রণাদায়কপ্রতি চালানের জন্য একটি শিশুকে ১৫ হাজার এবং অন্যজনকে ১০হাজার টাকা দেয়া হতো।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে অভিনব এই পদ্ধতির কথা জানান ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২৭ মে রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকা থেকে ছয় জনকে ইয়াবাসহ আটক করেন গোয়েন্দারা। তাদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা। তারা পাকস্থলীতে ইয়াবা বহন করে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নিয়ে আসত

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক মামুন শেখ জানান, তিনি এবং তার সহযোগী রেজোয়ান দীর্ঘদিন ধরে এই কৌশলে ইয়াবা পাচার করে আনছেন ইয়াবার চালান আনার সময় যাত্রা পথে শিশুদেরকে কোনো খাবার বা পানি পান করতে দেয়া হতো না। ঢাকায় আসার পর বিশেষ ওষুধ সেবন করিয়ে  পাকস্থলী থেকে পায়ু পথে বের করে আনা হতো ইয়াবা