bangladesh-economic-samity-dhakaআগামী অর্থবছরের জন্য ১২ লাখ কোটি টাকার একটি বাজেটের পরিকল্পনা হাজির করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, যা বর্তমান অর্থবছরের বাজেটের তিন গুণ।

বিশাল এই বাজেটের পরিকল্পনা দিয়ে অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত বলেছেন, আমাদের প্রস্তাবিত বাজেট যুক্তিসঙ্গত এবং দেশের অন্তর্নিহিত শক্তির বিচারে যৌক্তিক।

নতুন অর্থবছরের বাজেট সংসদে ওঠার আগে শনিবার বিকল্প বাজেট নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আসে অর্থনীতি সমিতি।

আগামী জুনে যে বাজেট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দিতে যাচ্ছেন, তা ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বারকাত। কোনো ধরনের বৈদেশিক ঋণ ছাড়াই এ বাজেট বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন তিনি।

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বারকাত বলেন, আমাদের বিকল্প বাজেটের ৮১ শতাংশ বা ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮২০ কোটি টাকার জোগান দেওয়া হবে রাজস্ব আয় থেকে।

অর্থনীতি সমিতি প্রস্তাবিত বাজেটের ১৯ শতাংশ বা ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার ঘাটতির ১ লাখ কোটি টাকা বা ৪৪ শতাংশ অর্থ সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্ব থেকে আনার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি,  বলছেন, বন্ড বাজার থেকে আসবে ঘাটতি বাজেটের ২১ শতাংশ বা ৪৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা বা ২৭ শতাংশ এবং দেশীয় ব্যাংক ঋণ থেকে নেওয়া হবে ৯ শতাংশ বা ২০ হাজার কোটি টাকা।